Tivaji-তে পেমেন্ট করা মানে কোনো ঝামেলা নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটে আপনার ওয়ালেটে টাকা পৌঁছে যাবে।
সবচেয়ে পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং থেকে শুরু করে ব্যাংক ট্রান্সফার — সব পদ্ধতিতে Tivaji সাপোর্ট করে।
Tivaji-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
অ্যাকাউন্ট মেনু বা ড্যাশবোর্ডের উপরের অংশে "ডিপোজিট" বাটনটি পাবেন।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — আপনার সুবিধামতো পদ্ধতিটি সিলেক্ট করুন।
কত টাকা ডিপোজিট করতে চান সেটা লিখুন। নিচে উল্লিখিত নম্বরে পেমেন্ট করুন এবং ট্রানজেকশন ID সাবমিট করুন।
সফল পেমেন্টের পর সাধারণত ১–৫ মিনিটের মধ্যে আপনার Tivaji ওয়ালেটে টাকা দেখাবে।
উইথড্রলের আগে KYC যাচাইকরণ সম্পন্ন থাকতে হবে। NID ও সেলফি আপলোড করা না থাকলে আগে সেটা সম্পন্ন করুন।
মেনু থেকে "ক্যাশআউট" বা "উইথড্রল" বাটনে ক্লিক করুন।
বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিন এবং উইথড্রল অ্যামাউন্ট লিখুন।
নিরাপত্তার জন্য আপনার নিবন্ধিত মোবাইলে OTP পাঠানো হবে। সেটা দিয়ে রিকোয়েস্ট সম্পন্ন করুন।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সাধারণত ১৫–৩০ মিনিট, ব্যাংক ট্রান্সফারে ১–৩ কার্যদিবস সময় লাগে।
| পেমেন্ট পদ্ধতি | সর্বনিম্ন ডিপোজিট | সর্বোচ্চ ডিপোজিট | সর্বনিম্ন উইথড্রল | সর্বোচ্চ উইথড্রল/দিন | ডিপোজিট সময় | উইথড্রল সময় |
|---|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳ ২০০ | ৳ ৫০,০০০ | ৳ ৫০০ | ৳ ৩০,০০০ | ১–৩ মিনিট | ১৫–৩০ মিনিট |
| নগদ | ৳ ২০০ | ৳ ৫০,০০০ | ৳ ৫০০ | ৳ ২৫,০০০ | ১–৫ মিনিট | ১৫–৪৫ মিনিট |
| রকেট | ৳ ৩০০ | ৳ ৪০,০০০ | ৳ ৫০০ | ৳ ২০,০০০ | ৫–১০ মিনিট | ৩০–৬০ মিনিট |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ৳ ৫০০ | ৳ ৫,০০,০০০ | ৳ ১,০০০ | ৳ ২,০০,০০০ | ১–৬ ঘণ্টা | ১–৩ কার্যদিবস |
উপরের সীমাগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। VIP অ্যাকাউন্টধারীরা বিশেষ উচ্চতর সীমার সুবিধা পান। বিস্তারিত জানতে সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে টাকার লেনদেন নিয়ে অনেকের মনে স্বাভাবিকভাবেই একটু দ্বিধা থাকে। Tivaji থেকে টাকা তুলতে গিয়ে কোনো ঝামেলা হবে না তো — এই প্রশ্নটা প্রথমবার ব্যবহারকারীদের মাথায় আসাটা অস্বাভাবিক নয়। তাই শুরু থেকেই Tivaji-র পেমেন্ট পদ্ধতিটা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা দরকার।
Tivaji-র পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে। এখানে বিকাশ, নগদ ও রকেট — এই তিনটি সেবাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কারণ বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রতিদিনের লেনদেনে এগুলো ব্যবহার করেন। সাথে ব্যাংক ট্রান্সফারও আছে যারা বড় অঙ্কের লেনদেন করতে চান তাদের জন্য।
বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট করলে সাধারণত ১ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে Tivaji ওয়ালেটে টাকা দেখা যায়। মাঝে মাঝে নেটওয়ার্ক কারণে একটু দেরি হলেও সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়। তারপরেও কোনো কারণে ২০ মিনিটের মধ্যে টাকা না এলে সাপোর্টে জানান — সাথে ট্রানজেকশন ID দিলে দ্রুত সমাধান পাবেন।
Tivaji-র উইথড্রল প্রক্রিয়া বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক প্ল্যাটফর্মের চেয়ে দ্রুত। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। রাত ১২টার পরে বা ব্যস্ত সময়ে একটু বেশি সময় লাগতে পারে, তবে সাধারণত ১ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়।
একটি বিষয় মনে রাখবেন — উইথড্রলের আগে বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত পূরণ করতে হয়। অর্থাৎ বোনাসের টাকা দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাজি না ধরে সরাসরি তুলতে পারবেন না। এটা সব প্ল্যাটফর্মেই প্রযোজ্য এবং এর বিস্তারিত শর্তাবলী পেজে পাবেন।
গুরুত্বপূর্ণ: Tivaji কখনো আপনাকে কল করে বা SMS-এ ব্যক্তিগত পেমেন্ট নম্বরে টাকা পাঠাতে বলবে না। শুধুমাত্র অফিশিয়াল পেজের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন।
প্রতিটি লেনদেন ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষ আপনার পেমেন্ট তথ্য দেখতে পারবে না।
প্রতিটি উইথড্রল রিকোয়েস্টে নিবন্ধিত মোবাইলে OTP পাঠানো হয়। আপনার অনুমতি ছাড়া কোনো উইথড্রল সম্ভব নয়।
উইথড্রলের আগে পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক। এটা নিশ্চিত করে যে আপনার টাকা শুধু আপনিই তুলতে পারবেন।
আপনার ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তথ্য Tivaji কখনো সংরক্ষণ করে না। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে তথ্য মুছে যায়।
অস্বাভাবিক লগইন বা লেনদেনের চেষ্টা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে সতর্ক করা হয়।
বোনাস ব্যালেন্স ও আসল ব্যালেন্স আলাদা রাখা হয়। আপনি যেকোনো সময় কোনটা কতটুকু তা পরিষ্কার দেখতে পাবেন।
এখনই নিবন্ধন করুন এবং প্রথমবার বিকাশ বা নগদে ডিপোজিট করলে আপনার ডিপোজিটের সমান বোনাস পাবেন।